৭ম শ্রেণিতে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প তৈরি করবেন

প্রিয় শিক্ষার্থী, ২০২৩ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প ডেস্ক বিষয়ে সপ্তম শ্রেণীর ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাৎসরিক সমষ্টি মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা জানি, যে প্রতিটি ক্লাসে সাধারণত বার্ষিক পরীক্ষার উপর মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। তাই ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অ্যাসাইনমেন্ট হিসেবে শিক্ষার্থীরা দুটি বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে এবং বার্ষিক পরীক্ষায় সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প ডেস্ক তৈরি করে শিক্ষকের সামনে উপস্থাপন করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে।

এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৩: [Exclusive Way] কিভাবে এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৩ দেখবেন

এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের কাজকে সহজ থেকে সহজতর করার জন্য সপ্তম শ্রেণির বাৎসরিক সামষ্টিক মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট প্রস্তুতের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ের নির্ধারিত কাজ সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প ডেস্ক কিভাবে প্রস্তুতের জন্য কি কি কাজ করতে হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

৭ম শ্রেণিতে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প তৈরি করবেন
৭ম শ্রেণিতে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প তৈরি করবেন

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মেয়েদের করণীয়

সাইবার নিরাপত্তা বা ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মেয়েদের করণীয় অনেক রয়েছে। যেমন:

এক পোস্টেই সকল এসাইনমেন্টঃ বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭ম শ্রেণির 2023

বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭ম শ্রেণির (এক পোস্টেই সকল এসাইনমেন্ট)
বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭ম শ্রেণির (এক পোস্টেই সকল এসাইনমেন্ট)
  • ১) মেইল/ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাসওয়ার্ড বা ইলেক্ট্রনিক ট্রানজেকশন সম্পর্কিত তথ্য কারো সাথে শেয়ার না করা।
  • ২) পাসওয়ার্ড তৈরি করার সময় সহজে অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড পরিহার করা, পাসওয়ার্ডটি কোথাও লিখে না রাখা এবং বিভিন্ন প্লাটফর্ম / ওয়েবসাইটের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড তৈরি করা।
  • ৩) সামাজিক যোযাযোগ মাধ্যমে ফেইক প্রোফাইল ও অপরিচিত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ না করা।
  • ৪) স্ক্যামিং (scamming) ও ফিশিং (phishing) সম্পর্কে ধারণা নেওয়া এবং এ সম্পর্কিত লিংক এড়িয়ে চলা।
  • () আনট্রাস্টেড ওয়েবসাইট / লিংকে প্রবেশ না করা।
  • ৬) যে কোন এপলিকেশন ব্যবহার শেষে লগ আউট করা।
  • ৭) ব্যক্তিগত তথ্য, চিত্র বা ভিডিও চিত্র আনপ্রোটেক্টেড ডিভাইসে সংরক্ষণ অথবা মেসেঞ্জার/ মেইলের মাধ্যমে আদান প্রদান না করা।
  • ৮) ওয়াইফাই ও ব্লুটুথে ব্যবহারের পর ফাংশনটি অফ করে রাখা এবং পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারে সতর্কতা
  • অবলম্বন করা।
  • ৯) মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা যে কোন ডিজিটাল ডিভাইস লক / পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড করা।
  • ১০) কোন আনঅথরাইজড প্রোগ্রাম ইনস্টল না করা।
  • ১১) কোন সাইবার ক্রাইমের শিকার হলে BTRC কে জানানো (মেইলঃ [email protected]) অথবা
  • Cyber Crime Investigation, CTTC, DMP কে অবহিত করা। (মেইলঃ
  • [email protected])

এই পোস্টটি আপনার জন্যঃ (পিডিএফ ডাউনলোড) ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২৩

(পিডিএফ ডাউনলোড) ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২৩
(পিডিএফ ডাউনলোড) ৭ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২৩

সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প প্রস্তুতের জন্য থিম নির্বাচন

২০২৩ সালের বার্ষিক পরীক্ষায় সপ্তম শ্রেণীর ডিজিটাল প্রযুক্তি অ্যাসাইনমেন্ট সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প ডেস্ক তৈরির কাজে শিক্ষার্থীরা নিচে উল্লিখিত দুটি থিম নিয়ে কাজ করবে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পুর্ণ সমাধানঃ ৭ম শ্রেণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পুর্ণ সমাধান

৭ম শ্রেণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পুর্ণ সমাধান (১ম, ২য় ও ৩য় দিবস)
৭ম শ্রেণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পুর্ণ সমাধান (১ম, ২য় ও ৩য় দিবস)

৭ম শ্রেণীর শিল্প ও সংস্কৃতি বার্ষিক মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট সমাধানঃ (৭ম শ্রেণী) শিল্প ও সংস্কৃতি মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট সমাধান

(৭ম শ্রেণী) শিল্প ও সংস্কৃতি মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট সমাধান
(৭ম শ্রেণী) শিল্প ও সংস্কৃতি মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট সমাধান
  • ১. সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় হেল্প ডেস্ক
    ২. নাগরিক সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে হেল্প ডেস্ক

এই পোস্ট থেকে ভবিষ্যতে হেল্প পেতে পারেনঃ [আপডেটেড] প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ সাজেশন 2023 যা ১০০% কমন পাবেন

[আপডেটেড] প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ সাজেশন যা ১০০% কমন পাবেন
[আপডেটেড] প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ সাজেশন যা ১০০% কমন পাবেন

সপ্তম শ্রেণি ডিজিটাল প্রযুক্তি বার্ষিক মূল্যায়ন অ্যাসাইনমেন্ট আপনাদের ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষক প্রাথমিক মূল্যায়নের দিন দুটো দলে ভাগ করে দিবে এবং আপনারা উপরিউক্ত যে কোন একটি কাজ করার জন্য নির্বাচিত হবেন।

আরো পড়ুন: (নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত) ব্যাখ্যাসহ আজকের সিনিয়র অফিসার পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৩

(নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত) ব্যাখ্যাসহ আজকের সিনিয়র অফিসার পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৩
(নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত) ব্যাখ্যাসহ আজকের সিনিয়র অফিসার পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৩

এখানে পূর্ব ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলায় হেল্প টেস্ট এবং নাগরিক সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের হেল্প ডেস্ক তৈরি করে দেয়া হবে।

সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় হেল্প ডেস্ক

প্রাথমিক পর্যায়ে সাইবার নিরাপত্তা জনিত ঝুঁকি এড়াতে আমাদের কিছু বিশেষ কাজ করা জরুরি। এখন সপ্তম শ্রেণী ডিজিটাল প্রযুক্তি বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট হিসেবে প্রথমে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় হেল্প ডেস্ক তৈরি করার কাজ কিভাবে সম্পন্ন করবেন তা নিয়ে বলছি।

দেখুনতো এই পোস্ট কাজে লাগে কিনা: ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড হেড টু হেড পরিসংখ্যান (ট্রেন্ডিং নিউজ)

ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড হেড টু হেড পরিসংখ্যান (ট্রেন্ডিং নিউজ)
ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড হেড টু হেড পরিসংখ্যান (ট্রেন্ডিং নিউজ)

সাইবার নিরাপত্তা জনিত ঝুঁকি চিহ্নিত করা:

সর্বপ্রথম আমাদের সাইবার নিরাপত্তা জনিত ঝুঁকি এড়ানোর জন্য পরিবারের সদস্য এবং আশেপাশের মানুষজন কি কি ঝুঁকির সম্মুখীন হয় তা নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে চিহ্নিত করতে হবে। এরপর সবাইকে এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উদ্যোগ নিতে হবে এবং এলাকায় মাইকিং করে সবাইকে সচেতন করতে হবে।
এখানে আপনাদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু ঝুঁকি উল্লেখ করা হলো।

আরো দেখুন: কিভাবে ব্যতিক্রমী কায়দায় সকল বিসিএস ক্যাডার পছন্দ করবেন

বিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট সেরা টেকনিকে ক্যাডার চয়েস
বিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট সেরা টেকনিকে ক্যাডার চয়েস

পরিবারের সদস্যরা এবং আশেপাশের মানুষজন সাইবার নিরাপত্তা জনিত নিম্নলিখিত ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে :

১. ব্যক্তিগত বা পারসোনাল তথ্য চুরি:

হ্যা-কাররা পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ, ফোন নম্বর, ইমেল ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর ইত্যাদি চুরি করতে পারে। এই তথ্য ব্যবহার করে তারা পরিবারের সদস্যদের পরিচয় চুরি করতে পারে, তাদের নামে ঋণ নিতে পারে, বা তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যকলাপ চালাতে পারে। এজন্য আপনার জন্মতারিখ, ঠিকানা, ফোন নম্বর, বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করা।

দেখুনতো এই পোস্ট কখনো পড়েছেন কিনাঃ ৭ম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বার্ষিক মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট

৭ম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বার্ষিক মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট
৭ম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বার্ষিক মূল্যায়ন এসাইনমেন্ট

অর্থনৈতিক ক্ষতি:

আমরা যদি একটু সচেতন না হই তাহলে হ্যা-কাররা অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে পারে। হ্যাকাররা পরিবারের সদস্যদের আর্থিক তথ্য চুরি করে তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে পারে। তারা পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ চুরি করতে পারে, তাদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করতে পারে, বা তাদের নামে ঋণ নিতে পারে। এজন্য ব্যক্তিগত তথ্য অন্যস্থানে হস্তান্তর করে আমাদের কাছে অর্থ দাবী করতে পারে।

আগামীর জন্য তৈরি হই এসাইনমেন্ট সমাধানঃ [৭ম শ্রেণী] জীবন ও জীবিকা বইয়ের আগামীর জন্য তৈরি হই এসাইনমেন্ট সমাধান

[৭ম শ্রেণী] জীবন ও জীবিকা বইয়ের আগামীর জন্য তৈরি হই এসাইনমেন্ট সমাধান 
[৭ম শ্রেণী] জীবন ও জীবিকা বইয়ের আগামীর জন্য তৈরি হই এসাইনমেন্ট সমাধান

সামাজিক ক্ষতি:

নি:সন্দেহে বলা যায় যে, কারো ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হলে সামাজিক ভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হ্যাকাররা পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তাদের সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তারা পরিবারের সদস্যদের নামে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারে, বা তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দিতে পারে। অনলাইনে ব্যক্তিদের নামে ভুল তথ্য প্রচারসহ নানান অপকর্ম প্রচার করতে পারে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি:

সামাজিক, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর একজন ব্যক্তি নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির মোকাবেলায় পড়তে হতে পারে। হ্যাকাররা পরিবারের সদস্যদের ডিভাইসগুলিতে ম্যালওয়্যার বা অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার ইনস্টল করতে পারে। এই সফটওয়্যার পরিবারের সদস্যদের ডিভাইসগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে, বা তাদের ডিভাইসগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলা করবেন?

আমরা অনেকভাবে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলা করতে পারি। এক্ষেত্রে সচেতনতা সর্বাপেক্ষা উত্তম। আপনি যদি সচেতন না হোন তাহলে যে কেউ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। সাইবার নিরাপত্তায় ব্যক্তিগত তথ্য চুরি মোকাবেলায় করণীয় সমূহ জেনে নিন। নিম্নলিখিত টিপসগুলি পরিবারের সদস্যদের এবং আশেপাশের মানুষজনকে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করতে পারে: প্রতিটি সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি কীভাবে মোকাবেলা করা যায়।

এই পোস্ট আপনার জন্য: এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি, যোগ্যতা ও পদ্ধতি

এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি, যোগ্যতা ও পদ্ধতি
এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি, যোগ্যতা ও পদ্ধতি

এই ঝুঁকিগুলি এড়াতে, পরিবারের সদস্যদের এবং আশেপাশের মানুষজনকে সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং নিরাপদ অনলাইন ব্রাউজিং এবং ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ডের মতো গোপনীয় তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার:

অনলাইনে যেকোন একাউন্ট করার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার পাসওয়ার্ডগুলি কমপক্ষে বারো অক্ষরের দীর্ঘ হওয়া উচিত এবং এতে সংখ্যা, অক্ষর এবং বিশেষ চিহ্নের মিশ্রণ থাকতে হবে। প্রতিটি একাউন্টে আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এজন্য ঘনঘন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা জরুরি।

২. Two-factor authentication ব্যবহার:

authentication আপনার অ্যাকাউন্টগুলিকে আরও সুরক্ষিত করে। যখন আপনি আপনার অ্যাকাউন্টে লগ ইন করেন, তখন আপনাকে আপনার পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি একটি Two-factor , যেমন OTP পাঠানো হয় সেটা না দিলে আপনি একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেন না।

২. খারাপ সাইটে প্রবেশ না করা:

হ্যাকাররা পরিবারের সদস্যদের জন্য ক্ষতিকর বা অপব্যবহারমূলক সামগ্রী, যেমন শিশু যৌন নির্যাতনের সামগ্রী, প্রচারমূলক সামগ্রী, বা ম্যালওয়্যার অ্যাক্সেস করতে পারে। এই সামগ্রী পরিবারের সদস্যদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে, বা তাদেরকে অপরাধের শিকার হতে পারে।

মোবাইলে লাইভ খেলা: মোবাইলে লাইভ খেলা দেখার উপায় (বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩)

৩. ফোন/ কম্পিউটারের অ্যাপ এবং সফটওয়্যার আপডেটকরণ:

প্রতিনিয়ত ফোন/ কম্পিউটারের অ্যাপ এবং সফটওয়্যার আপডেটকরণ জরুরি। ব্যাকডেটেড সফটওয়্যার অনেকাংশে ডিভাইসের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে। তাই
আপডেটগুলি  ডিভাইসগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

৪. অপরিচিত লিঙ্ক এবং ইমেলগুলিতে ক্লিক না করা:

হ্যা-কাররা প্রায়শই অপরিচিত লিঙ্ক এবং ইমেলগুলি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের ম্যালওয়্যার বা অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার ইনস্টল করতে।

৫. সামাজিক মিডিয়াতে সতর্ক থাকুন:

সামাজিক মিডিয়াতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করার সময় সতর্ক থাকুন।

৬. আপনার ডিভাইসগুলিকে সিকিউর করুন:

আপনার ডিভাইসগুলিতে একটি ভাল অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ইনস্টল করুন এবং এগুলি সর্বদা আপডেট রাখুন।

৭. আপনার নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত করুন:

আপনার Wi-Fi নেটওয়ার্কের জন্য একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং আপনার রাউটারের নিরাপত্তা সেটিংসগুলি পরীক্ষা করুন।

৮. আপনার অনলাইন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করুন:

আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রবেশের জন্য আপনার ব্যবহার করা ডিভাইসগুলি এবং অ্যাপগুলি পর্যবেক্ষণ করুন। যদি আপনি অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেন, তাহলে অবিলম্বে আপনার অ্যাকাউন্টগুলির সুরক্ষা পরীক্ষা করুন।

৯. অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ইনস্টল:

আপনার ডিভাইসগুলিতে একটি ভাল অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ইনস্টল করুন এবং এগুলি সর্বদা আপডেট রাখুন। এই সফটওয়্যারগুলি অপব্যবহারমূলক সামগ্রী, যেমন শিশু যৌন নির্যাতনের সামগ্রী, ম্যালওয়্যার, বা অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার সনাক্ত করতে এবং অপসারণ করতে সাহায্য করতে পারে।

১০. ডিভাইস স্ক্যান:

আপনি যদি মনে করেন যে আপনার ডিভাইসে অপব্যবহারমূলক সামগ্রী রয়েছে, তাহলে অবিলম্বে আপনার ডিভাইসটি স্ক্যান করুন এবং প্রয়োজনে আপনার ডিভাইসটি পুনরুদ্ধার করুন। আপনি আপনার স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও জানাতে পারেন।

১১. সচেতনতা:

সাইবার নিরাপত্তায় অপব্যবহারমূলক সামগ্রীতে অ্যাক্সেস ঠেকাতে সচেতনতা এবং সতর্কতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলি অনুসরণ করে আপনি আপনার ডিভাইসগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করতে পারেন।

১২. পিগলেট ফিল্টার ইনস্টল:

আপনার ডিভাইসে একটি পিগলেট ফিল্টার ইনস্টল করুন। একটি পিগলেট ফিল্টার হল একটি সফটওয়্যার যা অপব্যবহারমূলক সামগ্রী, যেমন শিশু যৌন নির্যাতনের সামগ্রী, ম্যালওয়্যার, বা অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যারকে আপনার ডিভাইসে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেয়।

১৩. নিরাপত্তা সেটিংসগুলি পরীক্ষাকরণ:

আপনার ডিভাইসের নিরাপত্তা সেটিংসগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করুন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনি “প্রাপ্তবয়স্ক সামগ্রী” ফিল্টারিং সক্ষম করেছেন। এই ফিল্টারটি আপনার ডিভাইসে প্রদর্শিত প্রাপ্তবয়স্ক সামগ্রীকে সীমিত করবে।

১৪. সন্তানদের অনলাইন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ:

আপনার সন্তানদের অনলাইন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করুন এবং তাদের অনলাইনে নিরাপদ থাকার জন্য শিক্ষা দিন। আপনার সন্তানদের শিখিয়ে দিন যে অপব্যবহারমূলক সামগ্রী কী এবং তারা এটি কিভাবে এড়াতে পারেন।

সাইবার নিরাপত্তা জনিত অনলাইনে অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়াতে করণীয়:

নিম্নের বিষয়গুলি অনুসরণ করলে সাইবার নিরাপত্তা জনিত অনলাইনে অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানো যায়। অনলাইনে অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়াতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলিতে সচেতন থাকা এবং সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি:

  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • আপডেটগুলি প্রায়শই নিরাপত্তা সংশোধনগুলি অন্তর্ভুক্ত করে যা আপনার ডিভাইসগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।
  • হ্যা-কাররা প্রায়শই অপরিচিত লিঙ্ক এবং ইমেলগুলি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের ম্যালওয়্যার বা অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার ইনস্টল করতে।
  • সামাজিক মিডিয়াতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করার সময় সতর্ক থাকুন। আপনার জন্মতারিখ, ঠিকানা, ফোন নম্বর, বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করবেন না।
  • আপনার অনলাইন কেনাকাটারের জন্য একটি নিরাপদ পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করুন। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প। যদি সম্ভব হয়, তাহলে আপনার ক্রেডিট কার্ডের জন্য একটি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করুন।
  • আপনার অনলাইন কেনাকাটারের জন্য একটি নিরাপদ ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন। ওয়েবসাইটের URL-এ “https” থাকা উচিত এবং ওয়েবসাইটের লোগোতে একটি তালা চিহ্ন থাকা উচিত।
  • আপনার অনলাইন কেনাকাটারের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য কোম্পানি নির্বাচন করুন। কোম্পানির পরিষেবা সম্পর্কে অনলাইনে রিভিউ পড়ুন।
  • আপনার অনলাইন কেনাকাটারের জন্য একটি ডেলিভারি ঠিকানা ব্যবহার করুন যা আপনার বাসস্থানের ঠিকানা নয়। এটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখতে সাহায্য করবে

২. নাগরিক সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে হেল্প ডেস্ক:

এই পর্যায়ে আমরা যাদের দায়িত্বে নাগরিক সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে হেল্প ডেস্ক তৈরি করার কাজ পড়েছে তাদের জন্য কাজগুলো খুব সহজভাবে আলোচনা করবো।

পরিবারের সদস্য এবং আশেপাশের মানুষজনের কী ধরনের নাগরিক সেবা প্রয়োজন এবং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবার তালিকা দেখে নিন।

  • ১. খাদ্য: পরিবারের সদস্যদের জন্য পর্যাপ্ত এবং পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান করা।
    ২. পানি: পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশুদ্ধ ও জীবাণুমুক্ত পানির নিশ্চয়তা প্রদান করা।
    ৩. স্বাস্থ্যসেবা: পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
    ৪. আশ্রয়: পরিবারের সদস্যদের জন্য পর্যাপ্ত এবং নিরাপদ আশ্রয়ের নিশ্চয়তা প্রদান করা।
    ৫. শিক্ষা: পরিবারের সদস্যদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ প্রদান করা ।

জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নিম্নের  সেবাগুলি প্রয়োজন।

  • ১. যোগাযোগ: পরিবারের সদস্যদের জন্য সহজ ও সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
    ২. শক্তি: পরিবারের সদস্যদের জন্য পর্যাপ্ত এবং সাশ্রয়ী শক্তির নিশ্চয়তা প্রদান করা।
    ৩. নিরাপত্তা: পরিবারের সদস্যদের জন্য ব্যক্তিগত ও সম্পত্তির নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
    ৪. কর্মসংস্থান: পরিবারের সদস্যদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করা।

সামাজিক সুরক্ষা সেবা নিশ্চিতকরণের জন্য নিম্নের সেবাগুলি জরুরি।

  • ১. বয়স্কদের জন্য ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা।
    ২. প্রতিবন্ধীদের জন্য সহায়তা ও সুবিধা প্রদান করা।
    ৩. অসমর্থ পরিবারের জন্য সহায়তা প্রদান করা।

এছাড়াও, পরিবারের সদস্য এবং আশেপাশের মানুষজনের বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেবা প্রয়োজন হতে পারে। যেমন, খেলাধুলা ও বিনোদন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পরিবেশ সুরক্ষা, পরিবার এবং সমাজের সকল সদস্যের জন্য নিম্নমানের নাগরিক সেবা প্রদান করা রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নাগরিক সেবার মান উন্নত করতে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও ব্যক্তিদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা পেতে করণীয়:

সাইবার নিরাপত্তার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা পেতে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

  • ইউজার একাউন্টের মাধ্যমে সিস্টেমে লগ-ইন করুন
  • আসল সফটওয়্যার/অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করুন।
  • অপরিচিত/অননুমোদিত ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম ব্যবহার থেকে বিরত রাখুন।
  • দাপ্তরিক কাজে প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল আইডি ব্যবহার করুন
  • কাজ শেষে সিস্টেম থেকে লগ-আউট/স্ক্রীন লক করুন।
  • গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্তের ব্যাকআপ রাখুন।

ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার:

সাইবার সিকিউরিটির জন্য ডিজিটাল ডিভাইস যেভাবে ব্যবহার করবেন।

  • ডিজিটাল ডিভাইসসমূহ পাসওয়ার্ড বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সুরক্ষিত রাখুন।
  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড (বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন) ব্যবহার করুন।
  • প্রতিটি একাউন্ট/এ্যাপস এর জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • অপ্রয়োজনে ক্যামেরা অপশন চালু রাখা থেকে বিরত থাকুন।
  • স্বীকৃত ওয়েবসাইট থেকে এ্যাপস/সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন

অনলাইন / ইন্টারনেট ব্যবহার:

সাইবার নিরাপত্তার জন্য অনলাইন / ইন্টারনেট যেভাবে ব্যবহার করবেন।

  • ওয়েবসাইটে SSL সার্টিফিকেট (https বা চিহ্ন) দেখে ব্যবহার করুন।
  • লগ-ইন অপশনসমূহে Two Factor Authentication চালু রাখুন।
  • ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং প্রয়োজনীয় প্লাগ-ইনসমূহ নিয়মিত আপডেট রাখুন।
  • অনলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে https বা চিহ্ন যুক্ত সাইট দেখে লেনদেন করুন।
  • অপরিচিত ও সন্দেহজনক ই-মেইল বা লিংকে ক্লিক করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার:

সাইবার সিকিউরিটির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করার জন্য নিম্নের কাজগুলো করা যেতে পারে।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাউন্টের প্রাইভেসি সেটিং নির্ধারণ করুন।
  • একান্ত ব্যক্তিগত তথ্যাবলী অপরিচিতদের সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
  • কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে এর সঠিকতা যাচাই করুন।
  • মিথ্যা সংবাদ, গুরু, সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার-প্রচারনা সংক্রান্ত পোস্টে লাইক বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
  • অপমানজনক বিভ্রান্তিকর বিষয় সংক্রান্ত পোস্ট ব্লক করুন বা রিপোর্ট করুন।

সাইবার বুলিং হতে সুরক্ষা:

সাইবার বুলিং হতে সুরক্ষার জন্য নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

  • একান্ত ব্যক্তিগত তথ্যাবলী অপরিচিতদের সাথে শেয়ার করা থেকে কাউকে অপমানজনক বা ক্ষতিকর কোন মন্তব্য করা, শেয়ার বা লাইক দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
  • সাইবার বুলিং এর শিকার হলে তা গোপন না রেখে অভিভাবক, শিক্ষক বা বিশ্বস্ত কাউকে অবহিত করুন।
  • অনলাইনে কেউ উট বা অন্য ছবি বা তথ্য চাইলে তা পরিহার করুন।
  • যিনি বুলিং করছে বা রিপোর্ট করুন
  • বুলিং সংক্রান্ত তথ্যাবলি ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আইনানুগ পদক্ষেপের জন্য করুন।

অনলাইনে পাসওয়ার্ড ব্যবহারে সতর্কতা:

অনলাইনে পাসওয়ার্ড ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। তাই নিম্নের কাজগুলো করুন।

  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • বর্ণ, সংখ্যা, বিশেষ চিহ্ন বিশিষ্ট কমপক্ষে ৮ (আট) সংখ্যার পাসওয়ার্ড গোপন রাখুন এবং অন্যের সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
  • নির্দিষ্ট সময় পর পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
  • সহজে অনুমেয় পাসওয়ার্ড ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
  • ওয়েব ব্রাউজারে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকুন।

শেষকথা:

আমরা এতক্ষণে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এবং নাগরিক সেবা হেল্প তৈরি করবেন এর উপর বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনারা যদি এ বিষয় থেকে হেল্প পান তাহলে আমার এই আলোচনা স্বার্থক হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Visited 18,365 times, 1 visit(s) today

5 thoughts on “৭ম শ্রেণিতে কিভাবে সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা হেল্প তৈরি করবেন”

Leave a Comment

You cannot copy content of this page