মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান । এক পোস্টেই সব পাবেন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান নিয়ে অনেক সরকারি চাকরিপ্রার্থী জানতে চায়। তাই তাদের জন্যই মূলত আজের মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। এখানে আপনি মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। যেখানে আপনি তারিখভিত্তিক ১৯৭১ সাল থেকে যা যা হয়েছিল এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে কার ভূমিকা বেশি ছিল সেসব নিয়েই আজকের এই আলোচনা।

 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান । এক পোস্টেই সব পাবেন
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান । এক পোস্টেই সব পাবেন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান

এখানে আপনি তারিখভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান জানতে পারবেন। যেমন ১৯৭১ সালের মার্চ মাস থেকে কোন দিনে কি ঘটেছিল তা নিয়ে তথ্য পাবেন।

১মার্চ ১৯৭১
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দীকী ও সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মিরাজ এবং ডাকসুর সহ-সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব ও সাধারন সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মাখন এ চার নেতা মিলে এক বৈঠকে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।

২ মার্চ, ১৯৭১
বাংলাদেশের পতাকা প্রথমবারের মত উত্তোলন করেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব। পতাকাটি উত্তোলন করা হয়েছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায়।

৩ মার্চ,১৯৭১
ছাত্র পরিষদ (সংগ্রাম) আহূত পল্টন সমাবেশে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন শাহজাহান সিরাজ। এতে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের ‘সর্বাধিনায়ক বা জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়।

৭ মার্চ, ১৯৭১
ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৮- মিনিট স্থায়ী শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক এক ঐতিহাসিক ভাষনই ৭ই মার্চের ভাষণ। উক্ত ভাষণটি ছিলো বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান।

১২ মার্চ ১৯৭১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে আয়োজিত এক সভায় পটুয়া কামরুল হাসানের আহ্বানে শাপলাকে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গৃহীত।

১৪ মার্চ ১৯৭১
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন পাকিস্তানি শাসকদের দেয়া সকল খেতাব বর্জন করেন।

১৯ মার্চ ১৯৭১
গাজীপুরের জয়দেবপুরে পাকিস্তানিদের বিরুদ্রে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’।

২০ মার্চ ১৯৭১
জাতীয় পরিষদ সদস্য শেখ মোহাম্মাদ মোবারক হোসেন তার ‘তখমাই পাকিস্তান’ খেতাব বর্জন করেন।

২৩ মার্চ ১৯৭১
পাকিস্তান দিবসে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকার পরিবর্তে পূর্ব পাকিস্তানের অফিস আদালতসহ সর্বত্র বাংলাদেশের মানচিত্র যাচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়।

২৫ মার্চ ১৯৭১
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ‘অপারেশন সার্চ লাইট (বাঙালি নিধন অভিযানের সাংকেতিক নাম)-এ স্বাক্ষর করে পাকিস্তান চলে যান। ঐদিন রাত এগারোদীয় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে প্রথম সেনা অভিযান শুরু হয়। প্রথম আক্রমনের শিকার হয় রাজারবাগ পুলিশ লাইন, বিডিআর পিলখানা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ২৫ শে মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হন।

২৬ মার্চ ১৯৭১
চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এম.এ হান্নান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষনা প্রচার।

২৭ মার্চ ১৯৭১
শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাটস্থ্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনা।

৩০ মার্চ ১৯৭১
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছিলো।

৪ এপ্রিল ১৯৭১
হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে কর্নেল এম.এ.জি ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিফৌজ গঠন।

৬ এপ্রিল ১৯৭১
পাকিস্তানের কলকাতায় হাইকমিশন অফিসে প্রধান জনাব এম.এ হোসেন আলী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন।

১০ এপ্রিল ১৯৭১
মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলার আমকাননে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার সনদ এবং একটি অস্থায়ী সরকারের গঠনের ঘোষনা দেওয়া হয়।

১৭ এপ্রিল ১৯৭১
মুজিবনগরে আওয়ামী লীগের গণ প্রতিনিধিদের নিয়ে গতি অধ্যায়ী সরকারের শপথ গ্রহন সম্পন্ন। শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আব্দুল মান্নান এবং শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। এই দিনেই স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র গৃহীত হয়।

আরও পড়ূনঃ শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ নীতিমালা 2023 | কিভাবে ইন্টার্নশিপ করবেন | সুযোগ সুবিধা

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান (বিভিন্ন টার্ম)

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান বিভিন্ন টার্ম তুলে ধরছি।

১. অপারেশন সার্চলাইট

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালো রাত্রিতে নিরীহ বাঙ্গলি জনগোষ্ঠীর উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিচালিত সামরিক আগ্রাসন বা হত্যাযজ্ঞ।
২. অপারেশন জ্যাকপট
১৫ আগস্ট ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদোর সময় পাকিস্তানি নৌশক্তিকে ধ্বংস করার জন্য পরিচালিত অভিযান।

৩. অপারেশন ক্লোজডোর

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদোর পর সকল প্রকার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য এ অপারেশন পরিচালনা করা হয়।

৭ই মার্চের ভাষন

বঙ্গবন্ধু তার ঐতিহাসিক ভাষন- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে।
০৭ই মার্চের ভাষনের মূল বক্তব্য ছিলো পুনরায় নির্বাচন।
৭ই মার্চের ভাষন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পেশ করেন-৪ দফা দাবি।

ভাষনের গুরত্বপূর্ণ দুটি উক্তি

এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিব, এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

০৭ই মার্চের ভামনের বিষয়বস্তু ছিলো ৪টি।

  • চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার।
  • সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া।
  • গনহত্যার তদন্ত করা।
  • নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

আরো পরুনঃ ১০০% নির্ভুল (ব্যাখ্যাসহ পিডিএফ) প্রথম ধাপের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান 2023

৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

এ পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আলোচনা করছি। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ই মার্চের ভাষনকে ডকুমেন্টারী হেরিটেজ বা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন। ডকুমেন্টারী হেরিটেজ (Documentary Heritage) নামে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরত্বপূর্ণ দলিল গুলোকে সংরক্ষন করে আসছে। ১৯৯২ সাল থেকে ইউনেস্কো এই গুরত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে আসছে। ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরত্বপূর্ণ ৪২৭ তম নথি বা দলিল হিসেবে মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইটারন্যাশনাল রেজিস্টার’ নামে অন্তর্ভুক্ত করে।
বুলগেরীয় নাগরিক ইউনেস্কোর প্রথম নারী মহাপরিচালক ইরিনা বোকাভা ৭ মার্চ এর ভাষনকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ ঘোষনা করেন।

আরো পড়ুনঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা ২০২৩ | এক নজরে সকল তথ্য 2023-24

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কারা গড়ে তুলেছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এখান থেকে জেনে নিন। জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের আন্দোলন দুর্বল করতে এবং কৌশলে নিরস্ত্র করার লক্ষে তাদের অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু মুক্তিকামী বাঙালি সৈন্য এবং স্থানীয় জনতা তাদের মতলব বুঝতে পেরে অস্ত্র জমা না দিয়ে চান্দনা মোড় থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে।
১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরদের সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

স্বাধীনতার ইশতেহার

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান জানোট হলে স্বাধীনতার ইশতেহার জানতে হবে।

  • ৩ মার্চ ১৯৭১ পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন শাহজাহান সিরাজ।
  • অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
  • মুজিবনগর সরকার গঠন + ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
  • মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহন ১৭ এপ্রিল ১৯৭১।
  • অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার ভবেরপাড়া গ্রামে (বর্তমানে মুজিবনগর)
  • বৈদ্যনাথতলার নাম মুজিবনগর রাখেন- তাজউদ্দিন আহমদ।
  • মুজিবনগর পূর্বে ছিলো কুষ্টিয়া জেলার অধীনে।
  • বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সাল।
  • মুজিবনগরে স্বাধীনতা ঘোষনা করা হয়েছিলো ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সাল।
  • বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহন করেন ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সাল
  • বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হয়েছিলো ১৭ এপ্রিল, ১৯৮৭১ সাল।
  • অস্থায়ী সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক শেখ মুজিবুর রহমান (রাষ্ট্রপতি)।
  • প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ। (অস্থায়ী)।
  • অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
  • পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
  • অর্থ-বানিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী।
  • স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী ছিলেন এ.এইচ. এম. কামরুজ্জামান
  • চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আব্দুর রব।
  • প্রবাসী সরকারের পুলিশ প্রধান ছিলেন আবদুল খালেক।
  • মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মোহাম্মাদ আতাউল গনি ওসমানী।
  • স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
  • অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা ৬ জন।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে আওতাভূক্ত।

অবস্থান চট্টগ্রামের কালুরঘাটে।

বর্তমান নাম বাংলাদেশ রেতার।

অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’৩’জল্লাদের দরবারে।

‘চরম পত্র পাঠ করেন এম আর আখতার মুকুল।

“জল্লাদের দরবারে অনুষ্ঠানে জেনারেল ইয়াহিয়া যানের প্রতীকী চরিত্র কেল্প ফতেহ খান।

প্রথম নারী শিল্পী নমিতা ঘোষ।

প্রথম পত্রিকা পাঠ করেন বেলাল মোহাম্মাদ।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সম্প্রচার কর্ম করা হয়েছিলো ৩০ মার্চ, ১৯৭১।

প্রচারিত বিখ্যাত শ্লোগান

হানাদার পশুরা বাংলাদেশের মানুষ হত্যা করছে-আসুন আমরা পশু হত্যা করি।

বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধা একেকটি গ্রেনেড পার্থক্য শুধু গ্রেনেড একবার ছুড়ে দিলেত নিঃশেষ হয়ে যায়, আর মুক্তিযোদ্ধারা বার বার গ্রেনেড হয়ে ফিরে আসে।

মুক্তিফৌজ গঠন

মুক্তিফৌজ গঠনও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর অন্তর্ভূক্ত।

  • মুক্তিফৌজ গঠন করা হয়+ ৪ এপ্রিল, ১৯৭১।
  • মুক্তিফৌজ গঠনে নেতৃত্ব দেন + কর্নেল আতাউল গণি ওসমানী।
  • মুক্তিফৌজ গঠন করা হয় হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে।
  • মুক্তিফৌজকে মুক্তিবাহিনী নামকরন-১১ এপ্রিল, ১৯৭১।
  • মুক্তিফৌজ নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়-মুক্তিবাহিনী।
  • তেলিয়াপাড়া অবস্থিত হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায়।

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর

বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর থেকে অনেক কম আসে তাই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে সেক্টরগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।

  • স্বাধীনতা যুর্বকালে বাংলাদেশকে ভাগ করা হয় ১১টি সেক্টরে।
  • ১১টি সেক্টরে ভাগ করার জন্য নিদর্শন দান করেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
  • তাজউদ্দিন আহমদের নির্দেশে ১১টি সেক্টরে ভাগ করেন এম.জি.ওসমানী।
  • একমাত্র নৌ সেক্টর ১০ নং সেক্টর।
  • ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর ১০ নং সেক্টর।
  • নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না ১০ নং সেক্টর।
  • মুক্তিযুদ্ধের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম, ফেনী ছিল ১ নং সেক্টর।
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ছিল ২নং সেক্টরে।
  • মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর ছিল ৮ নং সেক্টরে।
  • মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টর ছিল ৬৪টি।
  • মুক্তিযুদ্ধের সময় সিলেটের পশ্চিমাঞ্চল ছিল ৫নং সেক্টরে।

সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডারগণ

সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডারগণও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর আওতাভূক্ত।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডারগণ হলেন-

  • সেক্টর ১ঃ মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল-জুন) মেজর রফিকুল ইসলাম (জুন-ডিসেম্বর), হরিনা ত্রিপুরা।
  • সেক্টর ২ঃ মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) মেজর হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর), মেলাঘর, ত্রিপুরা।
  • সেক্টর ৩ঃ মেজর শফিউল্লাহ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) মেজর নুরুজ্জামান (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর), কলাগাছি, ত্রিপুরা।
  • সেক্টর ৪ঃ মেজর সি আর দত্ত, করিমগঞ্জ/নাছিমগুর, আমাম
  • সেক্টর ৫ঃ মেজর মীর শভকত আলী, বাঁশতলা, সুনামগঞ্জ।
  • সেক্টর ৬ঃ উইং কমান্ডার বাশার, বুড়িমারি, পাটগ্রাম।
  • সেক্টর ৭ঃ মেজর কাজী নূরুজ্জামান, তরঙ্গপুর, পশ্চিমবঙ্গ।

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহিদ

অনেক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহিদ সম্পর্কে আসে।

প্রথম শহিদ ফারুক ইকবাল। শহিদ হন ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে। ছাত্র ছিলেন মালিবাগস্থ আবুজর গিফারী কলেজের। সমাহিত করা হয় মৌচাক মোড়ে।

বর্ণনা:

১৯৭১ সালের ৩ মার্চ আবুজর গিফারী কলেজ প্রাঙ্গন হতে একটি মিছিল রামপুরায় পৌঁছালে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় কিশোর ফারুক ইকবাল। ফারুকের লাশ

মৌচাক মোড়ে নিয়ে আসলে এলাকাবাসীর দাবিতে ‘সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়।

অপরদিকে, দেশ স্বাধীন করে মালিবাগে নিজ পৈতৃক নিবাসে ফেরার পথে ১৭ ডিসেম্বর বুড়িগঙ্গায় নৌকাডুবিতে মারা যায় আরেক কিশোর মুক্তিযোদ্ধা তসলিম।

তাকেও এখানে সমাহিত করা হয়।

* ফারক ও তসলিমকে বলা হয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ও শেষ শহিদ।

ফারুক-তসলিম স্মৃতি চত্বর, মৌচাকে নির্মান করা হয় ২০০৮ সালে।

পেশা অনুযায়ী বুদ্ধিজীবী হত্যার সংখ্যা

  • শিক্ষক ৯৯১ জন।
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- ১৯ জন।
  • আইনজীবী ৪২ জন।
  • সাংবাদিক ১৩ জন।
  • চিকিৎসক ৪৯ জন।
  • লেখক, শিল্পী ও প্রকৌশলী ১৬ জন।
  • ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গনহত্যা হয়- চুকনগর, খুলনায়।

বীরশ্রেষ্ঠ পরিচিতি

আজকাল দেখা যাচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ পরিচিতি সম্পর্কেও আসছে। তাই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ পরিচিতি পড়ে নিন।

  • মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত ছিলেন মতিউর রহমান।
  • বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান শহিদ হন ২০ আগস্ট, ১৯৭১ সালে।
  • সিপাহী হামিদুর রহমান সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
  • ০৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন সিপাহী হামিদুর রহমান।
  • বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান শহিদ হন ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ সালে।
  • বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে কনিষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।
  • নৌবাহিনীর স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন রুহুল আমিন।
  • ২ নং এবং ১০ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন রুহুল আমিন।
  • বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১৬ নং ধীরশ্রেষ্ঠ।
  • ৭ নং সেক্টরে যুদধ করেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
  • বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর শহিদ হন ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে।
  • বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবশেষে শহিদ হন মহিউদ্দীন জাহাঙীর।

বীরশ্রেষ্ঠ তথ্য কনিকা

  • বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সিপাহী – ২ জন।
  • ল্যান্স নায়েক – ২ জন।
  • ক্যাপ্টেন – ১জন
  • ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট -১ জন।
  • স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার – ১জন।
  • বাহিনীভিত্তিক বীরশ্রেষ্ঠ
  • সেনাবাহিনী-৩ জন
  • নৌবাহিনী – ১ জন
  • বিমানবাহিনী -১জন।
  • ইপিআর (পুলিশ বাহিনী)- ২ জন।

মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা বাহিনী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা বাহিনী অন্যতম। এই বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে অনেক ভূমিকা পালন করেন।

  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন একদল মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গর্বিত একটি গেরিলা দল ক্র্যাক প্লাটুন।
  • ক্র্যাক প্লাটুন গেরিলা বাহিনী গঠনে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন- ২নং সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ এবংএটিএম হায়দার।
  • ঢাকা শহরে ক্র্যাক প্লাটুন অপারেশন পরিচালনা করেন মোট ৮২টি।
  • ক্র‍্যাক প্লাটুনের অন্যতম সদস্য বদিউল আলম ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র।
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সশস্ত্র গেরিলা বাহিনীর নাম হেমায়েত বাহিনী।
  • হেমায়েত উদ্দিনের নেতৃত্বে ফরিদপুর অঞ্চলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য গড়ে ওঠে হেমায়েত বাহিনী।
  • মুক্তিযুদ্ধের সাহসী অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে বীর বিক্রম উপাধিতে ভূষিত করা হয় হেমায়েত উদ্দিন কে।
  • বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গর্বিত একটি গুরত্বপূর্ণ স্বতন্ত্র সশস্ত্র গেরিলা বাহিনীর নাম কাদেরিয়া বাহিনী।
  • কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ছিলেন আব্দুল কাদের সিদ্দীকী।
  • কাদেরিয়া বাহিনীর মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো প্রায় ৫০,০০০।
  • কাদেরিয়া বাহিনীর সদর দপ্তর ছিল টাঙ্গাইলের সখিপুরের মহানন্দনপুর গ্রামে, সেখানে একটি বিজয় স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুদ্রা ও ডাকটিকেট

  • মুক্তিযুদ্ধকালীন নিজস্ব ডাকটিকিট প্রবর্তন করা হয় ২৯ জুলাই,১৯৭১।
  • ডাকবিভাগের প্রথম পোস্ট মাস্টার ছিলেন মওদুদ আহমেদ।
  • প্রথম ডাকটিকিটের নকশা করেন বিমান মল্লিক।
  • মুক্তিযুদ্ধকালীন ডাকটিকেটগুলো ছাপানো হয় ইংল্যান্ডের ফরম্যাট ইন্টারন্যাশন প্রিন্টিং প্রেস হতে।

পাক বাহিনীর আত্মসমর্পন

  • জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পনের জন্য যোগাযোগ করেন মার্কিন দূতাবাসে।
  • পাকবাহিনী আত্মসমর্পন করেন ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিকাল ৪.৩১ মিনিটে।
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ।
  • বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর।
  • আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে স্বাক্ষর করেন ২ জন।
  • পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন জেনারেল নিয়াজী।
  • যৌথ বাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে.জে. জগজিৎ সিং অরোরা।
  • বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন এ.কে খন্দকার।
  • উপস্থিত ছিলেন না আতাউল গনি ওসমানী (তিনি সেদিন সিলেট ছিলেন)।
  • বাংলাদেশের পক্ষে আত্মসমর্পন দলিল তৈরী করেন জ্যাকব, নাগরা ও কাদের সিদ্দীকী।
  • পাকিস্তানের পক্ষে আত্মসমর্পন দলিল তৈরী করেন নিয়াজী, রাও ফরমান ও জামশেদ।
  • নিয়াজী আত্মসমর্পন করেন মোট ৯১,৫৪৯ জন সৈন্য নিয়ে (বলা হয় প্রায় ৯৩ হাজার)
  • মুক্তিযুদোর একমাত্র মহিলা কমান্ডার আশালতা বৈদ্য (কোটালিপাড়া, গোপালগঞ্জ)।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী বিভিন্ন দেশ ও স্বীকৃতিদানের তারিখ

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী বিভিন্ন দেশ ও স্বীকৃতিদানের তারিখ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এর মধ্যে অন্যতম।

  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ ভুটান; ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী আরব দেশ ইরাক।
  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ ভুটান, ৭ ডিসেম্বর।
  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী অনারব মুসলিম দেশ মালয়েশিয়া, ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২
  • স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
  • বাংলাদেশে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী সমাজতান্ত্রিক দেশ পোল্যান্ড, ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
  • বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী ওশেনিয়ান দেশ ফিজি।
  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী ইউরোপীয় দেশ পোল্যান্ড: ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দক্ষিন আমেরিকান দেশ ভেনিজুয়েলা।
  • বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী উত্তর আমেরিকার দেশ বার্বাডোজ।

মুক্তিযুদ্ধের উপাধি বা খেতাব

  • মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাব প্রদান করা হয় ৪টি।
  • চারটি রাষ্ট্রীয় খেতাব যথাক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
  • সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ।
  • জীবিত ব্যক্তিদের দেওয়া সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব বীরউত্তম।
  • বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেওয়া হয় ৭ জন কে।
  • বীরউত্তম খেতাব ৬৮ জন।/ ৬৯ জন
  • বীর বিক্রম খেতাব ১৭৫ জন।
  • বীরপ্রতীক খেতাব ৪২৬ জন।
  • মুক্তিযুদ্ধের খেতাব প্রাপ্ত মোট সদস্য ৬৭৬ জন।/৬৭৭ জন
  • বাংলদেশের সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম লালু।
  • শহীদুল ইসলাম লালুর খেতাব ছিলো বীরপ্রতীক।
  • সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করেন- আব্দুস সাত্তার
  • দেশের একমাত্র আদিবাসী বীর বিক্রম ইউকে চিং (মারমা)।
  • একমাত্র বিদেশী বীর প্রতীক- ডব্লিউ. এইট, গুডারল্যান্ড।
  • নারী বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম।
  • বীরপ্রতীক মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন।
  • বীর বিক্রম মেজর খন্দকার নাজমুল হুদা।
  • বীর উত্তম লে. কর্নেল আব্দুর রব (চীফ অব স্টাফ)।

মুক্তিযুদের খেতাবপ্রাপ্ত মহিলা

বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মহিলা ২জন।

  • ১। ক্যাপ্টেন ডাঃ সেতার। ব্রগম।
  • ২। তারামন বিবি।

সেতারা বেগমের নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ।

সেতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২নং সেক্টরে।

তারামন বিবিকে বীরপ্রতীক খেতাব প্রদান কর হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক স্থাপত্য ও ভাস্কর্য

  • জাগ্রত চৌরঙ্গীঃ অবস্থান: জয়দেবপুর চৌরাস্তা। স্থপতি: আব্দুর রাজ্জাক।
  • মুজিবনগর স্মৃতিসৌধঃ অবস্থান: মেহেরপুর। স্থপতি: তানভীর কবীর।
  • বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধঃ অবস্থান: মিরপুর ঢাকা। স্থপতি: মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি।
  • স্বোপার্জিত স্বাধীনতাঃ অবস্থান: টিএসসি সড়ক দ্বীপ, ঢাবি।স্থপতি: শামীম শিকদার।
  • জাতীয় স্মৃতিসৌধঃ অবস্থান: সাভার। স্থপতি: সৈয়দ মঈনুল হোসেন।
  • অপরাজেয় বাংলা, অবস্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। স্থাপতি: সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
Visited 431 times, 1 visit(s) today

Leave a Comment

You cannot copy content of this page