সর্বকালের সেরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ | সেরা স্ক্রিপ্ট 2024

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ | সেরা স্ক্রিপ্ট
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ | সেরা স্ক্রিপ্ট

 

প্রধান/ বিশেষ অতিথির আগমনে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

সম্মানিত সুধীজন, এইমাত্র আমাদের মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছেন, আজকের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি/ সভাপতি জনাব….. (এখানে প্রধান/ বিশেষ অতিথির নাম)। আরো আছেন…. সাথে সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি। আপনাদের সকলকে আসন গ্রহণ করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশের মেগা প্রজেক্ট সমূহ বিসিএস | এক পোস্টেই সব সাধারণ জ্ঞান

মঞ্চে আসন গ্রহণ নমুনা

এখন সবাইকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ মঞ্চে আসন গ্রহণ করার নমুনা জানাচ্ছি। আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতিকে উপস্থিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও অন্যান্য সম্মানিত অতিথিবৃন্দকে সাথে নিয়ে মঞ্চে এসে আসন অলংকৃত করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি।

ফুলের তোড়া প্রদান নমুনাঃ

সম্মানিত সুধী, আমন্ত্রিত সকল অতিথি জনাব……  ফুলের তোড়া প্রদান করবে…(আগে ঠিক করে রাখবে কাদের মাধ্যমে ফুটের তোড়া দিবেন) কে কাকে দিবে।

১।.. ২।… ৩।…

আরও দেখুন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান । এক পোস্টেই সব পাবেন

অনুষ্ঠান শুরুর জন্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

অনুষ্ঠান শুরু করতে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ এখানে দেওয়া হলো।

(প্রথমে অনুমতি সাপেক্ষে) আজকের অনুষ্ঠান শুরু করার জন্য অত্র অনুষ্ঠানের সভাপতি জনাব…… কাছে সদয় অনুমতি প্রার্থনা করছি। অনুমতি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আজ ১৬ ডিসেম্বর। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৯২ হাজার সদস্য বাংলাদেশর যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে *এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

অনুষ্ঠান শুরুর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ- ২

কবিতা আবৃতির ভঙ্গিতে “পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-  কখনোই ভয় করিনাকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের। শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস; অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসিমুখে বাজায়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস; আপোষ করিনি কখনোই আমি- এই হলো ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের ইতিহাস।”

আরো পড়ুন: এসএসসি মডেল টেস্ট ২০২৪ | সবচেয়ে কমনপ্রাপ্ত ৫টি মডেল (বাংলা)

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ অনুষ্ঠান শুরু- ৩: 

অত্র প্রতিষ্ঠান আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় আছি আমি…….۰۰ (এখানে উপস্থাপকের নাম বলতে হবে)।

ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও তর্জমাঃ নমুনাঃ

ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও তর্জমা পাঠের জন্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ তুলে ধরা হলো।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও তর্জমা করার জন্য মঞ্চে আহবান করছি জনাব… কে। ধন্যবাদ আপনাকে।

বক্তব্যের সিকোয়েন্স তৈরিঃ

শিক্ষার্থীর মধ্যে ২/১ জন বা রাজনৈতিক হলে ২/৩ জন ১৬ ডিসেম্বর যেন আমাদের কোটি প্রাণের স্পন্দন। প্রিয় সুধী, মহান বিজয় দিবস নিয়ে কিশোর- যুবাদেরও রয়েছে প্রগাঢ় অনুভূতি। এখন, বিজয় দিবসে নিজের প্রত্যাশা ও অনুভূতি উপস্থাপন করবে……… ধন্যবাদ…কে, তার চমৎকার বক্তব্যের জন্য।

শিক্ষার্থীর বক্তব্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

এবার ……কলেজের বর্ষের শিক্ষার্থীদের … মধ্য থেকে বক্তব্য উপস্থাপন করবে….  ধন্যবাদ…কে তার চমৎকার বক্তব্যের জন্য। এর ফাঁকে ফাঁকে কিছু প্রাসঙ্গিক কবিতার লাইন বলতে পারেন ।

শিক্ষকদের বক্তব্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

সম্মানিত শিক্ষকদের মধ্যে ২/৩ জনের বক্তব্য দিবেন। এবার ……বিভাগের অধ্যাপক জনাব কে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ…স্যারকে তাঁর তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্যের জন্য। (এভাবে ২/৩ জন শিক্ষক)।

আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

এবার বক্তব্য প্রদান করার জন্য প্রতিষ্ঠানের জনাব কে অনুরোধ করছি তাঁর মুল্যবান বক্তব্য প্রদান করার জন্য। ধন্যবাদ.. মহোদয়কে তাঁর আকর্ষণীয় বক্তব্যের জন্য।

সভাপতির বক্তব্য ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

এবার বক্তব্য প্রদান করার জন্য প্রতিষ্ঠানের সভাপতি/ অধ্যক্ষ জনাব ……কে বিজয় দিবসের গুরুত্ব নিয়ে তাঁর মুল্যবান অভিমত ব্যক্ত করার জন্য অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ সভাপতি/অধ্যক্ষ মহোদয়কে তাঁর অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যের জন্য।

পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

সম্মানিত সুধী, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আমরা রচনা, চিত্রাংকন, ভাষণ, আবৃত্তি এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম । এসব ইভেন্টে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছিলো। এখন আয়োজিত এসকল প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের পালা। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার জন্য অনুষ্ঠানের সম্মাণিত অতিথিবৃন্দকে অনুরোধ করছি।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সিকোয়েন্স তৈরি ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

সম্মানিত সুধী, অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আজকের মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে রয়েছে একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই পর্বটি শুরু করতে মঞ্চ প্রস্তুত করার জন্য আপনাদের কাছে কিছু সময় চেয়ে নিচ্ছি। এরপর, সংগীত, নৃত্য,আবৃত্তি, কৌতুক, নাটিকা ইত্যাদি পরিবেশনা ধারাবাহিকভাবে চলবে।

সমাপ্তি ঘোষণা/ সমাপনী বক্তব্য নমুনা

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ এর সমাপ্তি ঘোষণা বা সমাপনী বক্তব্যের নমুনা এখানে পেশ করা হলো।

প্রিয় দর্শক, আমরা অনুষ্ঠানের একেবারে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। ধৈর্য সহকারে এবং সুশৃঙ্খলভাবে আজকের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ উদযাপন অনুষ্ঠান উপভোগ করার জন্য আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলাম আমি…… (এখানে আপনার নাম বলতে হবে)

সর্বাকালের সেরা বিজয় দিবসের নমুনা ভাষণ

মঞ্চে উপস্থিত মাননীয় সভাপতি,  শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক, পাশাপাশি আমার গুরুজনেরা অর্থাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক বৃন্দ,  এছাড়া আমার সামনে উপস্থিত সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ ও আমার সহপাঠী বন্ধুগণ সকলের প্রতি আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম।

আজ এই বিজয়ের দিনে আমরা সবাই এখানে উপস্থিত হয়েছি।  আজ বিজয়ের দিন তবে এই বিজয় এত সহজে আসেনি, দীর্ঘ নয় মাস  মুক্তিযুদ্ধ, লক্ষ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে,  লক্ষ লক্ষ তারা জীবনের বিনিময়ে,  এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা ও বিজয় পেয়েছি। এই বিজয়ের পেছনে রয়েছে অকল্পনীয় আত্মত্যাগের কাহিনী।  যেটা হয়ত এ প্রজন্মের অনেকেই অনুভব করতে পারে না।

প্রতিবছরই আমরা বিজয়ের এই দিনে সমবেত হই এবং যারা আমাদেরকে এই বিজয় উপহার দিয়েছে তাদের আত্মার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।  সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা যারা আমাদেরকে এই বিজয় উপহার দিয়েছে তাদেরকে যেন তিনি সুখে শান্তিতে রাখেন। এছাড়া যে সকল মায়ের বুক খালি করে দামাল ছেলেরা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন সে সকল মায়ের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। হয়তো আমরা মুখে দুইটা শ্রদ্ধা বা সমবেদনা প্রকাশ করব কিন্তু এই সমবেদনা বা শ্রদ্ধা দিয়ে তাদেরকে যথার্থ সম্মান করা যায় না বলে আমি মনে করি।

বিজয় সম্পর্কে বলতে গেলে আমরা অনেক কিছুই বলতে পারি।  তবে আজকে আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য এখানেই শেষ করতে চাচ্ছি। তার আগে বলতে চাচ্ছি যে আমরা তো বিজয় পেয়েছি কিন্তু বিজয়ের যে লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল আমরা কি আজও সেটা অর্জন করতে পেরেছে কিনা সেটা একবার ভাবতে হবে। আমরা যারা নতুন প্রজন্ম রয়েছে তাদেরকে বিজয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কাজ করতে হবে।  প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ দায়িত্ব যদি আমরা সঠিকভাবে পালন করি তবেই আমাদের বাংলাদেশের বিজয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হতে বেশি দেরী লাগবে না।  আজ আমরা শপথ করি যেন আমরা প্রত্যেকেই নিজেদের দায়িত্ব টা পরিপূর্ণভাবে পালন করি।

সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন আমরা সেই কাজটা সঠিকভাবে করতে পারি।  এই বলে আমি আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করছি সকলের প্রতি আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম।

বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বক্তব্য 2

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আপ্যায়িত হলে সম্মানিত অতিথিগণকে ওই অনুষ্ঠানের বিষয়ের উপর একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করতে হয়। বাংলাদেশের বিজয় দিবস কে কেন্দ্র করে ১৬ই ডিসেম্বর উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানগুলোতে আপনারা যারা অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন তারা ইতিমধ্যেই বক্তব্য উপস্থাপন করার পদ্ধতি অনুসন্ধান করা শুরু করেছেন। আমরা সবাই জানি যে এটি সুন্দর ও সাবলীল বক্তব্য উপস্থাপনের পিছনে থাকে প্রচুর সাধনা আর জ্ঞান চর্চা। অর্থাৎ একটি সুন্দর বক্তব্য উপস্থাপনা করে শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ ও বাহবা পেতে হলে জ্ঞানার্জনের বিকল্প কিছু নেই। বিজয় দিবসের বক্তব্য প্রদান করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই বিজয় দিবসের ইতিহাস এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।

একটি গোছানো ও পরিকল্পিত বক্তব্যই পারে সামনে উপবিষ্ট দর্শক-শ্রোতাদের মনোনিবেশ আকর্ষণ করতে। আপনারা যারা বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে অনবদ্য বক্তব্য উপস্থাপন করার আগ্রহ নিয়ে এখানে এসেছেন তাদেরকে স্বাগত জানাই। আপনার জন্যই আজকে দারুন কিছু বিজয় দিবসের নমুনা বক্তব্য তুলে ধরা হলো।

উপস্থিত সকল শুভানুধ্যায়ী এবং সম্মানিত প্রধান অতিথি, আসসালামু আলাইকুম। আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, বাঙালি জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে অসামান্য কীর্তি হয়ে থাকবে চিরকাল। যুগের পর যুগ এই অনুপ্রেরণা আমাদের জীবনকে নতুন উদ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রিয় সুধি,
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের ঘটনা আপনারা সবাই জানেন। সেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে বাঙালি জাতিকে শেষ করার পরিকল্পনা করেছিল। তবে বাঙালি জাতির আস্থা ও সাহসের কারণে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

বাংলাদেশের এবং এদেশের প্রতিটি মানুষের জাতীয় জীবনের অন্যতম গৌরবময় ও পবিত্রতম দিন। বিজয় দিবসের এই গৌরবময় মুহুর্তে প্রথমেই যে কথাটি মনে আসে তা হলো এদেশের বহু দেশপ্রেমিক শহীদের কথা। ১৯৭১ সালের এই দিনে ২৪ বছরের পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের দুর্দশা থেকে মুক্তির পথ খুঁজে পায় বাংলার মানুষ। সেই সময়ের বীর বাঙালিরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বুকে বুলেট মেরে স্বাধীনতার লাল সূর্যকে ছিনিয়ে আনে। তাই জাতীয় প্রগতি ও চেতনার মূলে বিজয় দিবসের তাৎপর্য অপরিসীম।

আমার ভাই,
এদেশের মানুষ একসময় ‘বিজয়’ শব্দ দিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিল আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা লক্ষ্য করেছেন, পারস্পরিক বৈরিতা, চরম অসহিষ্ণুতা, রাজনৈতিক ধর্মান্ধতা, সামাজিক অবক্ষয়, সন্ত্রাসের সশস্ত্র বিদ্রোহ ও সংঘাত আমাদের জাতীয় জীবনে নতুন উপসর্গ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই সব অপশক্তি দেশে অরাজকতা, অস্থিরতা, রক্তপাত সংঘাত, নিরাপত্তাহীনতা, সন্ত্রাস। বর্তমানে এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে, আমরা কি সত্যিই স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম? এটাই কি আমাদের বাঙালি জাতির ইতিহাস ও সভ্যতার মূলমন্ত্র ছিল? এভাবে কি আমরা পৃথিবীতে আমাদের

শক্তিশালী মহাবিশ্বের অস্তিত্ব তুলে ধরতে পারব?
আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি, কিন্তু এর তাৎপর্য যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে না পারায় এদেশের মানুষ এখনো স্বাধীন হয়নি। তাই দেশের সর্বোচ্চ থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত সকলের কাছে আমার বিনীত আবেদন, আসুন আমরা সবাই আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি। আমরা আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে দেশকে সুন্দর ও স্বাধীন দেশ হিসেবে গড়ে তুলি।

ধন্যবাদ সবাইকে

জননীর নাভিমূল ছিন্ন করে সদ্য ভুমিষ্ঠ নবজাতক যখন উচ্চস্বরে কান্নার মাধ্যমে জানিয়ে দেয় তার আগমনের বার্তা তখনই বোঝা যায় বিজয়ের আনন্দ কতটুকু। ঠিক তেমনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাঙালি জাতি অর্জন করেছিল মহান বিজয়। বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া অনুষ্ঠানগুলোতে দারুন কিছু বক্তব্য এবং ভাষণ দেয়ার পদ্ধতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক তথ্য উপস্থাপন করেছি। আশা করি নিবন্ধটি থেকে আপনার কাঙ্খিত বিষয়টি সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পেরেছেন। সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করছি।

Visited 6,851 times, 7 visit(s) today

Leave a Comment

You cannot copy content of this page