নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় 2024 | দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সারাদেশে ৩০০টি আসনে ৩০০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিধান রয়েছে। উল্লিখিত সংসদ সদস্যগণ ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ভোটারদের সচেতনতা অপরিহার্য। জাতীয় সংসদের নির্বাচন করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাই এখানে আপনাদের জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় 2024 সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় 2024 দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় 2024 দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

 

ভোটার হওয়ার যোগ্যতা কি?

আপনি কি জানেন বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা কি? বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী একজন নিম্নের শর্তসাপেক্ষে ভোটার হতে পারবেন। এছাড়াও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(২) এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী কোন ব্যক্তি তালিকাভুক্ত হবেন—

নির্বাচন সংক্রান্ত পোস্টগুলি দেখুনঃ

  • (1) বাংলাদেশের একজন নাগরিক হতে হবে।
  • (2) আঠারো বছরের কম বয়স্করা ভোটার হওয়ার যোগ্য নন।
  • (3) কোন উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষিত যা না হোন তাহলে তিনি ভোটার হতে পারবেন।
  • (4) উক্ত ভোটার এলাকা বা, ক্ষেত্রমত, নির্বাচনি এলাকার অধিবাসী বা অধিবাসী বলে গণ্য হতে হবে।
  • (5) যদি তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হন; এবং
  • (6) International Crimes (Tribunals) Act, 1973 (Act No. XIX of 1973) এর অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হয়ে থাকলে একজন বাংলাদেশী নাগরিক ভোটার হতে পারবেন। 

আরো পড়ুনঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের করণীয় 2024

কত বছর হলে ভোটার হওয়া যাবে ২০২৩

বাংলাদেশের কোন নাগরিকের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এবং কোন উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষিত না হলে তিনি যে এলাকায় বসবাস করেন, তিনি সে এলাকার ভোটার রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তাই একজন পরিপূর্ণ বাংলাদেশী নাগরিকদের ১৮ বছর পূর্ণ হলে ভোটার হওয়া যাবে। 

এই পোস্ট আপনার জন্যঃ প্রিজাইডিং অফিসারের প্রধান কাজ কি | প্রিজাইডিং অফিসার হওয়ার যোগ্যতা 2024

কিভাবে ভোট দেবেন বা ভোট দেওয়ার নিয়মাবলীঃ

ভোট দেওয়ার কিছু নিয়মাবলী রয়েছে। আপনি ইচ্ছা করলেই যেকোন ভাবে আপনি ভোট দিতে পারবেন না। তাই নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুসারে একজন বাংলাদেশী নাগরিক নিম্নের নিয়ম অনুসরণ করে ভোট দিতে পারবেন।

  • ছবিসহ ভোটার তালিকায় আপনার ক্রমিক নম্বর, ভোটার নম্বর এবং ভোটার এলাকার নাম ভোটগ্রহণ দিনের আগেই জেনে নিন৷
    কোন্ ভোটকেন্দ্রে আপনাকে ভোট প্রদান করতে হবে তাও আগেই জেনে নিতে হবে। 
  • আপনার ভোটার ক্রমিক নম্বর, ভোটার এলাকার নাম ইত্যাদি আগে জানা না থাকলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের বাইরে অবস্থানরত ও দায়িত্বরত ব্যক্তিগণের নিকট হতে তা জেনে নিতে হবে। 
  • নির্বাচনের দিন যে ভোটকেন্দ্রের ভোটার তালিকায় আপনার নাম রয়েছে সে কেন্দ্রে আপনি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছতে হবে। 
  • ভোট দেয়ার জন্য ভোটারদের সাথে আপনি লাইনে দাঁড়াবেন। যখন আপনার ভোটদানের সুযোগ আসবে, তখনই আপনি ভোট দিতে ভোট কক্ষের ভিতরে যেতে হবে। 
  • ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আপনাকে ভোটার হিসেবে শনাক্ত করবেন। পোলিং এজেন্ট ভোটার শনাক্তকরণ কাজে সাহায্য করবেন এবং ভোটগ্রহণ অবলোকন করবেন।
  • শনাক্তকরণের পর আপনার বাম হাতের বৃদ্ধাংগুলি (বৃদ্ধাংগুলি না থাকলে বাম হাতের তর্জনী ব্যতীত অন্য আঙ্গুলে) ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা অমোচনীয় কালির চিহ্ন দিবেন।
  • আপনি ব্যালট পেপার নেয়ার আগে অপর পিঠে অফিসিয়াল সিল ও সংশ্লিষ্ট ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তার অনুস্বাক্ষর দেয়া আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখে নিতে হবে। 
  • ব্যালট পেপার ও সিল পাওয়ার সাথে সাথে আপনি ব্যালট পেপার চিহ্নিত করার জন্য মার্কিং প্লেসে যাবেন।
  • যে প্রার্থীর অনুকূলে ভোট দিতে ইচ্ছুক, সে প্রার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত প্রতীকের ঘরে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার দেয়া মার্কিং সিল দিয়ে ছাপ দিবেন। 
  • ব্যালট পেপারে সিল দেয়ার পর সিলের কালি যাতে অন্য প্রতীকের ঘরে বা অন্য কোথাও না লাগে সে জন্য সিল প্রদত্ত প্রতীকের ঘরের মাঝামাঝি লম্বা ভাঁজ দিয়ে পরে ইচ্ছে মত ভাঁজ দিন৷
  • ভাঁজ করা ব্যালট পেপার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সামনে রাখা ব্যালট বাক্সে ফেলবেন ।
  • তারপর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভোটকক্ষ ও ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করবেন।

যদি কোন ভোটারের ভোটদানের সময় অসতর্কতাবশতঃ ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে যায়, তবে তিনি প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট বিনষ্ট ব্যালট পেপার জমা দিয়ে অন্য একটি ব্যালট পেপারের জন্য আবেদন করতে পারেন। প্রিজাইডিং অফিসার এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হলে তিনি বিনষ্ট ব্যালট পেপারটির পরিবর্তে অন্য একটি ব্যালট পেপার দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিবেন।

আরো দেখুনঃ রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব, কর্তব্য ও নিয়োগ

যদি কোন ভোটার অমোচনীয় কালির চিহ্ন লাগাতে আপত্তি করেন বা যদি সে রকম কোন চিহ্ন বা চিহ্নাংশ আগে থেকেই আংগুলে থাকে তবে তাঁকে ব্যালট পেপার দেয়া হবে না এবং যদি কোন ভোটারের হাতের আংগুলে অমোচনীয় কালির চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও ব্যালট পেপার দাবী করেন তবে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার তাঁকে ব্যালট পেপার দিবেন না এবং প্রিজাইডিং অফিসার তাঁকে বেআইনী আচরণের জন্য ভোটকেন্দ্র হতে বের করে দিতে পারেন।

যদি কোন ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে অশোভন আচরণ করেন এবং প্রিজাইডিং অফিসারের আইনসম্মত আদেশকে অমান্য করেন, তবে প্রিজাইডিং অফিসার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাহায্যে উক্ত ব্যক্তিকে ভোটকেন্দ্র হতে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করতে পারেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অধিকার

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নাগরিকদের কিছু অধিকার রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় সহ অনেক অধিকার রয়েছে নাগরিকদের। নির্বাচনের সংগে সম্পৃক্ত নাগরিকদের অধিকারগুলো নিম্নরূপঃ

  • ভোট হচ্ছে প্রত্যেক নাগরিকের স্বাধীন মতামত প্রতিষ্ঠিত করার অধিকার।
  • যে কোন ভোটার কোন প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারবেন।
  • প্রত্যেক নাগরিকের ভোটের প্রক্রিয়া জানার অধিকার রয়েছে। ভোটারগণ টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র, পোস্টার, লিফলেট ইত্যাদির মাধ্যমে ভোটের প্রক্রিয়া জানতে পারেন।
  • নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং নির্বাচনের গুরুত্বপুর্ণ দিক সম্পর্কে প্রত্যেক নাগরিক/ ভোটারের জানার অধিকার রয়েছে।
  • প্রত্যেক ভোটারের ভোট গোপন রাখার অধিকার রয়েছে।
  • নারী-পুরুষ, ধর্ম বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের ভোটদানে সমান অধিকার রয়েছে।
  • প্রত্যেক নাগরিকের নির্বাচনী ফলাফল সম্পর্কে অবগত হবার অধিকার রয়েছে।
  • প্রত্যেক নাগরিকের নির্বাচন সম্পর্কিত অনিয়মের ব্যাপারে অভিযোগ করার অধিকার রয়েছে।
  • ভোটের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে প্রত্যেকের অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে। এজন্য প্রয়োজন ভোটার হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করাও ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয়।

পড়তে পারেনঃ একনজরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নির্দেশিকা 2024

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয়

অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর সম্পূরক। নির্বাচনে ভোট দেয়া যেমন একজন নাগরিকের অধিকার, তেমনি ভোটার হিসেবে নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত কিছু কর্তব্যও তাঁকে পালন করতে হয়। নিম্নে ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় সম্পর্কে আলোচিত হলো। যেমনঃ

  • (১) ১৮ বছর পূর্ণ হলে ভোটার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করুন।
  • (২) নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে নির্বাচনী সময়সূচি ঘোষণার পূর্বে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত যে কোন সময় ভোটার হওয়া ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয়। 
  • (৩) একজন ভোটার কেবলমাত্র একটি ভোটার এলাকায় রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
  • (8) ভোটদান প্রত্যেক নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য।
  • (৫) ভোটদান আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার। নির্বাচনের দিন আপনাকে অবশ্যই আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনার ভোট সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সহায়ক। কাজেই আপনার ভোট একটি মুল্যবান আমানত।
  • (৬) আপনার ভোট বিক্রি করবেন না। ভোট আপনার জন্মগত অধিকার, কোন সামগ্রী প্রাপ্তির চেয়ে তা অনেক বেশী মুল্যবান। নির্বাচনে আপনার বিবেক ও অধিকার প্রয়োগে আপনি ভোট দেবেন। সুতরাং আপনার অধিকার ও বিবেক বিক্রি করবেন না।
  • (৭) অন্যকে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে দিন। স্বাধীন এবং শান্তিপূর্ণভাবে আপনার যেমন ভোট দেয়ার অধিকার রয়েছে, তেমনি অন্যদেরও স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেয়ার সমান অধিকার রয়েছে। সকলকে ভোট দিতে উৎসাহিত ও সাহায্য করুন।
  • (৮) নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা বিধানের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাদের সহযোগিতা করুন। নির্বাচনি আইন- কানুন মেনে চলুন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় সচেষ্ট থাকুন।
  • (৯) শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্ব শর্ত। নির্বাচনকালীন সময় সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখুন। বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন এবং এদের সম্পর্কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করুন।
  • (১০) ভোটদানের পদ্ধতি আগেই সঠিকভাবে জেনে নিন। কারণ সামান্য ভুলেই আপনার মূল্যবান ভোটটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
  • (১১) আপনি কোন্ কেন্দ্রে ভোট দেবেন এবং আপনার ভোটার নম্বর কত তা আগেই জেনে রাখুন।
  • (১২) ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দিন।
  • (১৩) আপনি একজন সুনাগরিক, তাই ভেবে চিন্তে ভোট দিন। একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখতে সক্ষম এমন যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন। সুচিন্তিত ভোটাধিকার প্রয়োগ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করে, যা জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গঠনে সহায়ক হয় ।
  • (১৪) ভোটের অধিকার মানবাধিকার, তার যথাযথ প্রয়োগ করার দায়িত্ব ও কর্তব্য আপনার রয়েছে। 
  • (১৫) সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করাই হচ্ছে ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয়। 

আরো দেখুনঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্য, চ্যালেঞ্জ উত্তরণের উপায় 2024

উপসংহারঃ

পরিশেষে বলা যায় যে, ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে শেষ করা যাবেনা। কারণ অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ নাগরিকদের অনেক করণীয় রয়েছে। একজন নাগরিকই পারেন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা। 

Visited 142 times, 1 visit(s) today

Leave a Comment

You cannot copy content of this page